তবে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজকেও গুরুতর হুমকি দিয়ে রেখেছেন। ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি তিনি ‘সঠিক কাজ’ না করেন (অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র যা চায় তা না মানেন) তাহলে মাদুরোর মতো পরিণতি ভোগ করতে কিংবা তার চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে।
বিশ্লেষকদের অনেকে ধারণা করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার বিরোধী পক্ষকে ক্ষমতায় আনতে সমর্থন দেবেন। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো লক্ষণ দেখাননি ট্রাম্প। বরং বেশকিছু পদক্ষেপ দেখে মনে হয়েছে, কিছু দিক থেকে বর্তমান ব্যবস্থা ট্রাম্পের জন্য বেশি সুবিধাজনক বলে মনে করা হচ্ছে।
বিবিসির এই সংবাদদাতার মতে, ভেনেজুয়েলার সরকার এখন নিঃসন্দেহে উদ্বিগ্ন—কারণ, তাঁরা ভালোভাবে জানেন, ট্রাম্পের চাওয়ার অন্তত কিছুটা না মানলে, তাঁদের ওপর কী পরিণতি নেমে আসতে পারে। তাই বলা যায়, ট্রাম্প সরাসরি দেশটির ক্ষমতায় নেই বটে, তবে ভেনেজুয়েলা চালানোর ক্ষেত্রে তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
