হাজারো মানুষের আত্মত্যাগে দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়কসহ অভ্যুত্থানের তিন নেতা সরকারে যোগ দেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে তাঁরা পদত্যাগ করেন, তাঁদের একজন নবগঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শহীদ শাহরিয়ার হাসানের (আলভী) বাবা মো. আবুল হাসান বলেন, ‘আজকে আমাদের পুঁজি করে এই ছাত্র সমন্বয়কেরা শহীদ পরিবারকে বিক্রি করে আজকে হাজারো কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তারা রাজনৈতিক দল করেছে, তারা আজকে ফায়দা লুটে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। অথচ শহীদ পরিবারের আমাদের ন্যায্য দাবি ছিল, আমরা আমাদের সন্তানদের হত্যাকারীর বিচার চাই।’
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার হলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে জীবন দিতে হতো না মন্তব্য করে আবুল হাসান বলেন, ‘তার প্রধান কারণ হচ্ছে এই সরকারের বিশ্বাসঘাতকতা। এই সরকার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে।’
