পরীক্ষার দায়িত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়কারী মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা তদন্ত চলাকালীন তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সিন্ডিকেট থেকে শিক্ষককে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি আমাদের কাছে শিক্ষক। এ কারণে তাঁকে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
জানতে চাইলে প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সব পরীক্ষায় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। হট্টগোলের খবর শুনে আমরা তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আমরা এই মুহূর্তে তাঁর (হাসান মোহাম্মদ) মুঠোফোনের তল্লাশি করছি। এ ছাড়া সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখছি। গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁর বেতন বন্ধ রয়েছে। কীভাবে তিনি পরীক্ষার দায়িত্ব পেলেন, তা আমি বলতে পারছি না।’
