সুফিয়া জামানের বাড়ি শরীয়তপুর। সেখানেই একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি। স্বামী-সন্তান নিয়ে ছিমছাম সংসার। ছোট মেয়ে পড়াশোনা করছেন। বড় মেয়ে ব্যাংকার। বিয়েও হয়ে গেছে। ছোট একটি সন্তানও রয়েছে, তবে মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে বিপাকে পড়লেন মেয়ে। অফিসে চলে গেলে সারা দিন ছোট শিশুটিকে দেখবে কে!
এগিয়ে এলেন সুফিয়া জামান। ৩২ বছরের চাকরি ছেড়ে ২০২৪ সালে চলে এলেন ঢাকায়, মেয়ের কাছে। ১০ মাস বয়সী নাতনির দেখভালের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন। তবে ঢাকায় আসার কিছুদিন পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সুফিয়া। জ্বরের সঙ্গে হালকা পেটব্যথা। চিকিৎসায় কাজ হচ্ছিল না। এক মাস পর জ্বর কমতে শুরু করে, তবে এর পর থেকে মাসিকের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়।
বয়স হওয়ায় ধরে নেওয়া হয়েছিল, এটা হয়তো মেনোপজের লক্ষণ। তবে তিন মাস পর সুফিয়ার মনে পড়ল, বছর পাঁচেক আগে একবার চিকিৎসক বলেছিলেন তাঁর জরায়ুতে টিউমারজাতীয় কিছু একটা আছে। কাজের ব্যস্ততায় পরে আর চিকিৎসকের কাছে যাওয়া হয়নি।
সেই কথা মনে পড়ায় আবার চিকিৎসকের কাছে গেলেন সুফিয়া। সব শুনে কিছু পরীক্ষা দিলেন চিকিৎসক। বায়োপসিও করানো হলো কিন্তু বায়োপসির রিপোর্ট থেকে নিশ্চিতভাবে রোগটি নির্ণয় করা গেল না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে আবারও নমুনা সংগ্রহ করা হলো।
এবার ধানমন্ডির আনোয়ারা মেডিকেল সার্ভিসেসে নমুনা পরীক্ষা করানো হলো।
