স্থানীয় লোকজন জানান, পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন মালিকপক্ষের প্রায় সাত থেকে আটজন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম স্থানীয় আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন, তারাসহ আরও কয়েকজন।
অভিযানকালে বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন জানান, সিটি করপোরেশন এলাকায় পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। এই খননকাজে যে ব্যয় হবে, তা পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে আর কোনো পুকুর ভরাট করতে দেওয়া হবে না। খবর পেলেই কাজ বন্ধ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এখানে আর ভাঙারি ব্যবসা চলবে না।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘আমরা অভিযোগ পাচ্ছিলাম যে পুকুরটা ভরাট করা হচ্ছে। পাশের একটি বিল্ডিং ভেঙে তারা ইট ও খোয়া ভেঙে পুকুর ভরাটের কাজ চালাচ্ছে। আমাদের বিভাগীয় কমিশনার স্যারের কাছেও এ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে এবং স্যারের নির্দেশে আমরা পুকুরটা আবারও খনন করছি, যাতে পুকুরটি আর ভরাট করতে না পারে।’
