রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে অসুস্থ শিশুকন্যার চিকিৎসা করাতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। চার দিন আগে তিনি তার অসুস্থ শিশুকন্যাকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করিয়েছিলেন।ভুক্তভোগী ওই নারী নাটোর পৌরসভার বড়গাছা এলাকার বাসিন্দা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে অভিযুক্ত তিনজনকে হাসপাতাল চত্বর থেকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
হাসপাতালের এক আউটসোর্সিং সুইপার তাকে ধর্ষণ করে এবং তার দুই সহযোগী ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই তিন সুইপারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী জানান, ওষুধ দেয়ার কথা বলে আউটসোর্সিং সুইপার অমিত তাকে হাসপাতালের ছয়তলার সিঁড়িঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় অমিতের দুই সহযোগী ও অপর দুই আউটসোর্সিং সুইপার অনিল এবং প্রাঙ্গণ মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ভুক্তভোগীকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তারা।
মধ্যরাতে শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা তাদের হাতেনাতে ধরেন। পরে আনসার সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ে যান এবং মোবাইলে ঘটনার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। সেখানে ভুক্তভোগী নারী ঘটনার বর্ণনা দেন এবং অভিযুক্ত তিন সুইপারও নিজেদের দায় স্বীকার করে।
এ বিষয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
সান নিউজ/ জামান
